• 06:17:37 PM | Sunday, March 15, 2026
Bongosoft Ltd.

রামপুরায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ৪ মার্চ


FavIcon
Daily Satto Khobor
নিউজ প্রকাশের তারিখ : Feb 18, 2026 ইং
ছবির ক্যাপশন: রামপুরায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ৪ মার্চ
ছবি: রামপুরায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ৪ মার্চ
Share:
ad728

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাজধানীর রামপুরায় একজনকে গুলি ও দুজনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায়ের জন্য আগামী ৪ মার্চ দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল। এ মামলায় ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ মোট আসামি পাঁচজন।

রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এ তারিখ নির্ধারণ করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম।

তিনি বলেন, গত ৩ ফেব্রুয়ারি এ মামলার যুক্তিতর্ক শেষ করে প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষ। এরপর রায়ের দিন নির্ধারণের জন্য আজকের দিন নির্ধারণ করা হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তারিখ ঠিক করেন ট্রাইব্যুনাল। আগামী ৪ মার্চ এ মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।

এ মামলায় পাঁচ আসামির মধ্যে গ্রেপ্তার রয়েছেন রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকার। আজ সকালে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। 

চঞ্চলের আইনজীবী এরশাদুল হক বাবু বলেন, আমরা যুক্তিতর্কে সব তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরেছি। একইসঙ্গে চঞ্চল চন্দ্র সরকারের খালাস প্রার্থনা করেছি। রায়ে তিনি সুবিচার পাবেন বলে আমরা আশা করছি। আমরা চাই কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি সাজার মুখোমুখি না হোক। এটাই ট্রাইব্যুনালের কাছে প্রত্যাশা রইল।

পলাতক অন্য আসামিরা হলেন- খিলগাঁও জোনের সাবেক এডিসি মো. রাশেদুল ইসলাম, রামপুরা থানার সাবেক ওসি মো. মশিউর রহমান ও রামপুরা থানার সাবেক এসআই তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া। হাবিবসহ পলাতক চারজনের পক্ষে লড়ছেন স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী মো. আমির হোসেন।

এর আগে, ২৯ জানুয়ারি যুক্তি উপস্থাপন সম্পন্ন করে প্রসিকিউশন। সাক্ষ্য-প্রমাণ, ভিডিও ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীর জবানবন্দিসহ নথিপত্রে এ মামলার পাঁচ আসামির সম্পৃক্ততা স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে দাবি করা হয়। একইসঙ্গে আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা চেয়েছেন তারা।

গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১। একই বছরের ৭ আগস্ট ফর্মাল চার্জ দাখিল করে প্রসিকিউশন।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই প্রাণ বাঁচাতে রামপুরার বনশ্রী-মেরাদিয়া সড়কের পাশে থাকা একটি নির্মাণাধীন ভবনে ওঠেন আমির হোসেন নামের এক তরুণ। ওই সময় পুলিশও তার পিছু পিছু যায়। একপর্যায়ে ছাদের কার্নিশের রড ধরে ঝুলে থাকলেও তার ওপর ছয় রাউন্ড গুলি ছোড়েন এক পুলিশ সদস্য। এতে গুরুতর আহত হন তিনি। একই দিন বনশ্রী এলাকায় পুলিশের গুলিতে শহীদ হন নাদিম ও মায়া ইসলাম।