• 06:14:21 PM | Sunday, March 15, 2026
Bongosoft Ltd.

জামিন পেলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সেই এরফান


FavIcon
Daily Satto Khobor
নিউজ প্রকাশের তারিখ : Feb 18, 2026 ইং
ছবির ক্যাপশন:
Share:
ad728

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছিলেন এরফান সোলতানি। মৃত্যুদণ্ডের মুখে থেকে বিশ্বজুড়ে আলোচনায় আসা ওই তরুণকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। নরওয়েভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হেংগাওএবং ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। খবর নিউইয়র্ক টাইমসের

২৬ বছর বয়সী এরফান সোলতানিকে গত মাসে ইরানে ছড়িয়ে পড়া সরকারবিরোধী আন্দোলনের সময় গ্রেফতার হন। জামিন পেতে তার পরিবারকে ১৬ হাজার মার্কিন ডলার পরিশোধ করতে হয়েছে। এরফানের আইনজীবী আমির মুসাখানি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

হেংগাও এক বিবৃতিতে জানায়, শনিবার সোলতানিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তার আইনজীবী এএফপিকে জানান, সোলতানির মুক্তির জন্য দুই বিলিয়ন তুমান জামিন দেওয়া হয়েছে। যা প্রায় ১৬ হাজার মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ। মুক্তির সময় তার ব্যক্তিগত সব জিনিসপত্র, এমনকি মোবাইল ফোনও তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

এরফান সোলতানিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে—এমন খবর গত মাসে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। পরে অবশ্য ইরানি কর্তৃপক্ষ জানায়, তার বিরুদ্ধে কোনো মৃত্যুদণ্ডের রায় দেওয়া হয়নি।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম প্রেস টিভি সোমবার জানায়, সাম্প্রতিক বিদেশি-সমর্থিত দাঙ্গার ঘটনায় আটক ব্যক্তিদের একজন এরফান সোলতানিকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, কিছু বিদেশি গণমাধ্যম ভুলভাবে তাকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বলে প্রচার করেছিল।

এরফান সোলতানিকে জানুয়ারির শুরুতে তেহরানের পশ্চিমাঞ্চলে তার বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর অভিযোগ, গ্রেফতারের পর তাকে আইনজীবীর সহায়তা থেকে বঞ্চিত করা হয় এবং বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে তার পরিবারকেও অন্ধকারে রাখা হয়েছিল। এমনকি দ্রুত কার্যকরের আশঙ্কায় নির্ধারিত মৃত্যুদণ্ডের আগে পরিবারকে মাত্র একবার সংক্ষিপ্ত সাক্ষাতের সুযোগ দেওয়া হয় বলে দাবি করা হয়।

ইরানের বিচার বিভাগ এর আগে জানায়, সোলতানির বিরুদ্ধে ‘জাতীয় নিরাপত্তার বিরুদ্ধে সমাবেশ ও যোগসাজশ’ এবং ‘রাষ্ট্রব্যবস্থার বিরুদ্ধে প্রচারণার’ অভিযোগ আনা হয়েছে।

তবে এরফান সোলতানির পরিবার দাবি করেছে, তিনি কখনো সহিংসতায় জড়িত ছিলেন না। বরং ইরানি জনগণের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতার দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে মত প্রকাশ করছিলেন।