সারের কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগে কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে এক ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়াও ৪৬ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের চাপাইগাছি কালভার্ট এলাকার মেসার্স কৃষি ঘরে এ অভিযান চালানো হয়।
কৃষি বিপণন আইন ১৯ (১) এর (ঠ) ধারায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাভিদ সারওয়ার। আদালত পরিচালনায় সহযোগিতা করেন জেলা জ্যেষ্ঠ কৃষি বিপণন কর্মকর্তা ইসরাত জাহান মুন ও থানা পুলিশ। পরে জব্দ সার ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করে অর্থ সরকারি কোষাগারে জমার নির্দেশ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
জানা গেছে, কুমারখালীর জগন্নাথপুর ইউনিয়নের চাপাইগাছি কালভার্ট এলাকার মেসার্স কৃষি ঘরের স্বত্বাধিকারী মো. সাইফুল ইসলামের কীটনাশক বিক্রির লাইসেন্স আছে। নীতিমালা অনুযায়ী কীটনাশকের লাইসেন্সে সার বিক্রির নিয়ম নেই। কিন্তু সাইফুল ইসলাম কখনো কৃষক সেজে আবার কখনো অন্যদের কৃষক সাজিয়ে বিভিন্ন ডিলার পয়েন্টে সার ক্রয় করে মজুত করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেন। পরে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করেন।
রোববার সন্ধ্যায় সাইফুলের দোকানে অভিযান চালিয়ে ২৭ বস্তা ডিএপি, ৯ বস্তা এমওপি, ৭ বস্তা টিএসপি ও ৩ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়। জব্দ করা সার স্থানীয় জনপ্রতিনিধির জিম্মায় রাখা হয়। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে জব্দ করা সার ন্যায্যমূল্যে কৃষকদের মাঝে বিক্রি করা হবে। এছাড়া কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগে ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাভিদ সারওয়ার বলেন, কৃষক সেজে অবৈধ সার কিনে মজুত করে কৃত্রিম সংকটের অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া দোকান থেকে ৪৬ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে, যা কৃষকদের মাঝে ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করে অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে। জনস্বার্থে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন