কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পূর্ববিরোধ ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসময় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গোলাম মোস্তফা ওরফে টেংগর (৫৮) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার ভারত সীমান্তবর্তী রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের চরইকুড়ি গ্রামে পটল গ্রুপ ও আজা মেম্বর গ্রুপের লোকজনের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।
নিহত গোলাম মোস্তফা ওরফে টেংগর ওই গ্রামের মৃত দৈয়ব মন্ডলের ছেলে। তিনি পটল গ্রুপের প্রধান পটলের ভাই।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ববিরোধকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে পটল গ্রুপ ও স্থানীয় আজা মেম্বর গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এর জেরে বৃহস্পতিবার বিকেলে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে এলাকায় দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষের একপর্যায়ে আজা মেম্বরের পক্ষের লোকজন গোলাম মোস্তফা ওরফে টেংগরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ সময় উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন।
আহতদের মধ্যে পটল (৭০), শুভ (৩৬), শাহ জামাল (৪০), আজা মেম্বর (৬০) ও বুলবুলসহ অন্যদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পূর্ববিরোধ ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় পুলিশ ও বিজিবি সদস্য মোতায়েন রয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
মন্তব্য করুন